speaking out against Aung San Suu Kyi covering up Rohingya genocide, The Guildhall protest against "Freedom of the City Award", London, 8 May 2017

At the London School of Economic "Rule of Law Roundtable", 16 June 2012

Speaking on the Slow Burning Genocide of Rohingyas in Burma, with Professor Amartya Sen, Harvard University, Nov 2014

N. Ireland peace activist Mairead Maguire presenting Zarni with the Cultivation of Harmony Award on behalf of the Parliament of the World's Religions, Salt Lake City, USA 18 Oct 2015

Drafting the Oslo Communique calling for the end to Myanmar's Rohingya Genocide, Voksanaasen, Oslo, 27 May 2015

"National Traitor and Enemy of the State" for his opposition to Rohingya Genocide. Sun Rays, 16/9/17

রোহিঙ্গা গণহত্যার নীলনকশা তৈরি হয় ১৯৬৬ সালে: মং জার্নি

ড. মং জার্নির জন্ম ১৯৬৩ সালে মিয়ানমারের মান্দালয়ে। তিনি মিয়ানমারের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে পাশ্চাত্যে সবচেয়ে সোচ্চার ব্যক্তিদের অন্যতম। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর এবং উইসকনসিন-মেডিসন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছেন। শিক্ষকতা করেছেন লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস, অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ডে। ১৯৯৫ সালে তিনি প্রবাসী বর্মি ভিন্নমতাবলম্বীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ফ্রি বার্মা কোয়ালিশন। ৩০ বছর ধরে মিয়ানমারের মানবাধিকারের প্রবক্তা হওয়ার কারণে বর্মি সরকার ও তাদের সমর্থক মিডিয়ার কাছে তিনি ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’, এমনকি তাঁকে ‘জাতীয় বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর কুয়ালালামপুরের পুলম্যান হোটেলে তাঁর সঙ্গে কথা বলা এবং পরে ই-মেইল যোগাযোগের ভিত্তিতে এই সাক্ষাৎকার তৈরি করা হলো। গত ১০ অক্টোবর এর প্রথম আলোর মুদ্রিত সংখ্যায় সাক্ষাৎকারটির সংক্ষেপিত অংশটি প্রকাশিত হয়। আজ বাকি অংশ প্রকাশিত হলো।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান
প্রথম আলো: সম্প্রতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে একজন বর্মি মন্ত্রী ঢাকা ঘুরে গেলেন। আপনি আশাবাদী?
মং জার্নি: ১৯৬২ সালে সামরিক বাহিনী ক্ষমতায় আসার পর মিয়ানমার তার বৃহত্তম জাতীয় সংকট মোকাবিলায় তিনজন বেসামরিক কূটনীতিককে নিয়োগ দিয়েছে। কিউতিন স অং সান সু চির নিজ দপ্তরের মন্ত্রী এবং তাঁর মূল অনুঘটক। আপনারা তাঁকে বিশ্বাস করলে ঠকবেন। ২০০৮ সালের মে মাসে বন্যাদুর্গত লোকজন যখন চরম সংকটে, তখন তাঁকে সরকারের পক্ষে ওকালতি করতেই শশব্যস্ত দেখা গেছে।
এরপর আছেন থং তুন, তিনি বর্তমানে সু চির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপদেষ্টা। ইতিপূর্বে আধা অবসরে যাওয়া জেনারেল থান শয়ের দোভাষীর কাজ করেছেন। আর আছেন উইন ম্রা। তিনি মিয়ানমারের বর্তমান মানবাধিকার কমিশনের প্রধান। আনান কমিশনের অন্যতম সদস্য এই ভদ্রলোকের কর্ণকুহরে এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা শব্দটিই প্রবেশ করেনি। বিশ্বে বর্তমানে মিয়ানমারের যে ৩০ জনের বেশি রাষ্ট্রদূত কর্মরত রয়েছেন, তাঁরা কেউ সাবেক কর্নেল, কেউ সাবেক ব্রিগেডিয়ার। তাঁরা পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। গত সপ্তাহে থং তুনকে নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো হয়েছিল। নিউইয়র্কে তিনি কাউন্সিল অব ফরেন রিলেশনসের মতো মার্কিন স্টাবলিশমেন্ট কাজে লাগিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছেন।
আমি মনে করি, ওই তিনজন বেসামরিক কূটনীতিকের সারা জীবন কেটেছে আন্তর্জাতিক ফোরামে সামরিক বাহিনীর পক্ষে নির্লজ্জ দালালি করে। তাঁরা প্রত্যেকে ধূর্ত এবং মুসলিমবিদ্বেষী বর্ণবাদী। তাঁদের কারও হৃদয়ে এক তোলা পরিমাণও নীতিবোধ কিংবা মানবিক অনুভূতি নেই। সু চি এসব ব্যক্তি দ্বারা পরিবেষ্টিত। তাঁদের আমি বিষাক্ত সাপ হিসেবে চিহ্নিত করতে দ্বিধাবোধ করি না। বাংলাদেশকে প্রত্যাবাসনের যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। মনে রাখতে হবে, তাঁদের চূড়ান্ত স্ট্র্যাটেজিক স্কিম হচ্ছে রোহিঙ্গাদের জাতিসত্তা, তার ইতিহাস, পরিচিতি ও আইনগত অবস্থান ধ্বংস করা। আপনাদের মনে যদি এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ দানা বাঁধে, তাহলে গত ২৫ বছরের জাতিসংঘের ডকুমেন্টগুলো, মানবাধিকারের নথিপত্র এবং ১৯৭৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রেস ক্লিপিংগুলো পাঠ করুন। রোহিঙ্গারা বাড়ি ফিরতে চায় না।
প্রথম আলো: তাহলে সু চির প্রতি আমরা ভরসা করব না?
মং জার্নি: আমি বহু বছর আগে তাঁর সম্পর্কে যা লিখেছিলাম, তা তখন বিশ্বাস করতে অনেকেরই কষ্ট হতো। তাঁরা তাঁকে রোমান্টিসিজমের জায়গা থেকে প্রশ্রয় দিতেন। কিন্তু তাই বলে তাঁর সর্বাত্মক ও গভীর বর্ণবাদী মন একটুও বদলে যায়নি। আমি যখন তাঁর নৈতিক বুদ্ধিবৃত্তিক ও নেতৃত্বের যথাযথ সমালোচনা করেছি, তখন তাঁর সমর্থকেরা কষ্ট পেয়েছেন। একটি সামরিক পরিবারে আমার বেড়ে ওঠার সময় তাঁর বাবা ছিলেন আমার রোল মডেল। ১৯৮৮ সালের জুলাই মাসে আমি যখন আমার দেশ ত্যাগ করি, তখন আমার ওয়ালেটে তিনটি ছবি ছিল। একটি আমার পরিবারের, দ্বিতীয়টি মহামুনি বুদ্ধের এবং অপরটির অং সানের পরিবারের। এই ছবিতে সু চি ছিলেন দুই বছরের। মাঠের কর্মী হিসেবে আমি সু চির পক্ষে কথা বলেছি একটানা ১৫ বছর। তিনি যেভাবে স্বেচ্ছায় বিরোধী শিবিরে প্রবেশ করেছিলেন, তা তিন দশকের মধ্যে প্রথম গণ-অভ্যুত্থান এনেছিল। তাঁকে সমালোচনায় আমার কোনো ব্যক্তিগত বিদ্বেষ বা হিংসা নেই। আমি কোনো রাজনীতিবিদের আনুগত্যে বা অনুরাগী হতে বিশ্বাসী নই, কারণ তাঁরা প্রত্যেকেই খুব বেশি মনুষ্য প্রজাতির। আমি একজন কর্মী হিসেবে ‘আমার দেশ সেরা, সেটা ভুল বা শুদ্ধ যা-ই করুক’ ধরনের উগ্র জাতীয়তাবাদী ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়াকে নাকচ করে দিই।
প্রথম আলো: বর্মি ভাষায় তিনি তাঁর জনগণকে কী বলে থাকেন, সেটা আমাদের জানার কৌতূহল আছে।
মং জার্নি: ৬ অক্টোবর সু চি ব্রুনাইয়ে বর্মি বিশেষজ্ঞদের কাছে তাঁর সরকারকে ‘নিষ্পাপ’ বলেছেন। তাঁর কথায়, ‘আমাদের বিবেক পরিষ্কার। কিন্তু আমি বলব না যে আমরা কোনো ভুল করিনি। তবে আমরা অবশ্যই কোনো অন্যায্য কিছু করিনি। আমরা যদি অজান্তে কোনো অন্যায় করে থাকি, তাহলে প্রচলিত আইনমতে তা শুধরে নেব।’ অথচ তিনি একটিবারের জন্য বাস্তুচ্যুত কাউকে দেখতে রাখাইন সফরে যাননি। এই নারীর ঔদাসীন্য ও অমানবিকতা কী হতে পারে, তা কারও ধারণার বাইরে।
প্রথম আলো: চীন, রাশিয়া ও ভারতের ভূমিকা কি সংকট নিরসনে বড় বাধা?
মং জার্নি: অবশ্যই। চীন ও রাশিয়া এমনকি উদ্বেগ জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে বিবৃতি দিতে রাজি হয়নি। ভারতে উগ্র বর্ণবাদী দল ক্ষমতায়। তারা হিন্দু মৌলবাদী জাতীয়তাবাদকে উসকে দিতে চাইছে। সু চি-মোদির যৌথ ঘোষণা বলছে, তারা নাকি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় লড়াই করতে একমত। এর মাধ্যমে ভারত কার্যত সু চির বর্ণবাদী গণহত্যার পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আবার পশ্চিমা কোনো প্রভাবশালী দেশই কিন্তু এই তিন দেশের সমালোচনা করছে না। পাশ্চাত্য যারা মানবাধিকার, বিশ্বশান্তি ও নাগরিক স্বাধীনতার কথা বলে, তারাই তেলের জন্য অন্যের ভূখণ্ড দখল করতে পারে। রোহিঙ্গা প্রশ্নে আমি পশ্চিম ও পূর্ব ব্লকের মধ্যে কোনো ফারাক দেখি না। তাই রাশিয়া, চীন ও ভারত নয়, পাশ্চাত্যও একইভাবে ভণ্ড। পাশ্চাত্য সার্বিয়া ও বেলগ্রেডে বোমা ফেলেছে। মিলেসোভিচের প্যালেসেও বোমা ছুড়েছে। মিলেসোভিচ সার্বিয়া ও বসনিয়ার মুসলমানদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল। ইসরায়েলের বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদ ২৩০টির বেশি প্রস্তাব পাস করেছে। কিন্তু তারা বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলেছে। তাই আমি এটা বলব না, এই তিন দেশই মিয়ানমারের গণহত্যা বন্ধে বাধা তৈরি করেছে। তবে আমরা মনে রাখব, নিরাপত্তা পরিষদই জীবন ও ইতিহাসের যবনিকা নয়।
প্রথম আলো: আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতে (আইসিসি) এর বিচার হতে পারে? আশাবাদী?
মং জার্নি: না। আমি আশাবাদী নই। কিছু আন্তর্জাতিক আইনি সংগঠন রোহিঙ্গাদের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে দরখাস্ত করেছিল। তারা দুই বছর পর উত্তর দিয়েছে যে মিয়ানমারের ওপর তাদের বিচারিক এখতিয়ার নেই। ১৯৪৯ সালে বার্মা জেনোসাইড কনভেনশনে সই করেছিল, যা ১৯৫০ সালে কার্যকর হয়। কিন্তু যেটা ঘটেছে, সেটা হলো তারা তাতে শর্ত সাপে‌ক্ষেÿসই করেছিল। ওই শর্তে বলা আছে, জেনোসাইডের অভিযোগে দেশটির নেতাদের বিচার করা যাবে না। জেনোসাইড কনভেনশন বা আন্তর্জাতিক আইন কোনো রকেটবিজ্ঞান নয়।
প্রথম আলো: আইসিসি সংবিধিতে তারা সই করেনি।
মং জার্নি: সই করাটাই অপরিহার্য নয়। জাতিসংঘের কোনো সদস্য রাষ্ট্র যদি গণহত্যা করে, তাহলে তাকে জবাবদিহির আওতায় আনা যাবে।
প্রথম আলো: নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের সঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত যোগাযোগের কথা আমরা জানি। রোহিঙ্গাদের বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি কী?
মং জার্নি: অমর্ত্য সেনের সঙ্গে অং সান সু চির প্রয়াত স্বামী মাইকেল অ্যারিসের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। তা ছাড়া অক্সফোর্ডে যাওয়ার আগে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে সু চিকে অর্থনীতি পড়াতেন অমর্ত্য। সুতরাং, সু চির প্রতি অমর্ত্যের একটা অনুরাগ রয়েছে। যদিও আজকের বার্মায় অমর্ত্যকে কেউ হয়তো বাঙালি বিবেচনায় হত্যা করতে পারে! ২০১৩ সালে সু চি যখন প্রথম হার্ভার্ডে এলেন, তখন তাঁর সম্মানে দেওয়া নৈশভোজে সু চি-অমর্ত্য পাশাপাশি বসেছিলেন। অমর্ত্যকে আমি রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেছিলাম। পরে অমর্ত্য আমাকে বলেছেন, ‘আমি তাকে বলেছি, তুমি জাতির নেত্রী। তোমাকে মিয়ানমারের প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিতে হবে। তোমার সবাইকে সমভাবে রক্ষা করতে হবে।’ উত্তরে সু চি বলেছিলেন, তিনি সেই চেষ্টাই করছেন। দু-তিন মাস আগে অমর্ত্যর সঙ্গে আমার দেখা হয়। তিনি আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, সু চি কেন এমনটা করছেন? আমি বললাম, দুঃখজনক হলেও সত্যি যে তিনি (সু চি) একজন বর্ণবাদী। তবে নোবেল বিজয়ীদের সাম্প্রতিক বিবৃতির প্রশ্নে অমর্ত্য কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। অন্যদের সঙ্গে তাঁরাও রোহিঙ্গা-সংক্রান্ত একটি বিবৃতিতে সই দেন। সাধারণত, অমর্ত্য কোনো বিবৃতিতে সই দেন না। সু চির তৎপরতায় অমর্ত্য সত্যিই হতাশ।

প্রথম আলো: অমর্ত্য সেন কি মিয়ানমার সফর করতে পারেন না?
মং জার্নি: সেই অনুরোধ আমি তাঁর কাছে রেখেছিলাম। কিন্তু তিনি ‘কালা’ (রোহিঙ্গা) বিরোধিতার সবটাই অবগত আছেন। তিনি তাঁর শৈশব কাটান ঢাকা ও মান্দেলেতে। মান্দেলের একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর বাবা অধ্যাপনা করতেন। অমর্ত্য আমাকে বলেছেন, তিনি এখন মিয়ানমার সফরে গিয়ে তাঁর শৈশবের মধুর স্মৃতি ধ্বংস হতে দিতে চান না। তিনি এখন গিয়ে দেখবেন, মানুষ কতটা বর্ণবাদী ও ঘৃণাবিদ্বিষ্ট।
রোহিঙ্গা গণহত্যার প্রতিবাদে ভিন্নমতাবলম্বী বর্মী প্রতিবাদী শিক্ষক মং জার্নি

প্রথম আলো: বর্মিরা রোহিঙ্গাদের কেন ‘কালা’ বলে আমরা তা জানি না।
মং জার্নি: কুলা বা কালা। কালা মানে ধর্ম-গোত্রনির্বিশেষে ভারতীয় সভ্যতার মানুষ। বুদ্ধ কালা, ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষও কালা বলে পরিচিত। বুদ্ধ কিন্তু বর্মি নন।
প্রথম আলো: প্রভাবশালী স্বাধীন পশ্চিমা মিডিয়া কেন সরকারি সুরে এথনিক ক্লিনজিং ব্যবহারের প্রবণতা দেখাচ্ছে? এটা উদ্দেশ্যমূলক?
মং জার্নি: আমি মনে করি, অনেক সাংবাদিক জেনোসাইড লিখেছেন, তার মধ্যে জেনে বা না জেনেও করছেন। কারণ, তাঁদের সময় নেই এ নিয়ে অধ্যয়ন করার। কিন্তু জাতিসংঘ সুচিন্তিতভাবে নীতি হিসেবে নিয়েই জেনোসাইডকে জেনোসাইড বলছে না। এ জন্য তারা বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে। এমনকি জাতিসংঘের শীর্ষ মানবাধিকার-প্রধান এথনিক ক্লিনজিং কথাটি ব্যবহার করছেন। এটা অসততা। তাঁরা রাজনীতির খেলা খেলছেন। তাঁরা জানেন, জেনোসাইড শব্দ উচ্চারণ করা মাত্রই জাতিসংঘের ১৯০টি সদস্য রাষ্ট্র এবং তাঁদের পক্ষে মিয়ানমারের বিচার করা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়বে। তাঁরা তখন মিয়ানমারের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগে দায়বদ্ধ হয়ে পড়বেন। ভারত ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানি জেনোসাইড বন্ধে সশস্ত্র সহায়তা দিয়েছিল। জাতিসংঘ রোহিঙ্গা জেনোসাইড বন্ধে কিছু করবে, তা আমি বিশ্বাস করি না। তারা সেই সামর্থ্যও রাখে না। পলপট কম্বোডিয়ার এক-তৃতীয়াংশ মানুষ চার বছরের কম সময়ের ব্যবধানে নিশ্চিহ্ন করেছিল। এর ৪০ বছর পরে জাতিসংঘ একটি হাইব্রিড ট্রাইব্যুনাল করেছিল। তাতে দেশটির সরকার ও জাতিসংঘ যৌথভাবে অংশ নিয়েছিল। দাতারা সেই বিচারের জন্য ১০ বছরে ৩০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল। তিন শীর্ষ খেমারুজ যুদ্ধাপরাধীর বিচারও হয়েছিল। কিন্তু জাতিসংঘ সেখানেও জেনোসাইড শব্দটি ব্যবহার করেনি। তাই আমি মনে করি, জাতিসংঘ বা নিরাপত্তা পরিষদ কারও ওপরই ভরসা নেই। কারণ, তারা বিশ্বের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। বিশ্ব যদি জনগণের আইনে চলত, তাহলে বিশ্ব আরও শান্তিপূর্ণ হতো।
প্রথম আলো: অনেক পশ্চিমা মিডিয়া এথনিক ক্লিনজিং কথাটি বেশি ব্যবহার করছে কেন?
মং জার্নি: এটা অপসাংবাদিকতা। সত্যি তারা অন্ধের মতো জাতিসংঘের সুরে কথা বলে। আল-জাজিরার সংবাদদাতা জেমস জাতিসংঘের মহাসচিবকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আপনি কি এটাকে এথনিক ক্লিনজিং বলবেন?’ জবাবে আন্তোনিও গুতেরেস প্রশ্ন আকারে বলেন, সেখানে যা ঘটছে, তাকে বর্ণনা করতে এর চেয়ে শক্তিশালী আর কী পরিভাষা আমি ব্যবহার করব? তখন জেমসের বলা উচিত ছিল, কেন, এর থেকে কার্যকর ও জোরালো পরিভাষা হলো জেনোসাইড।
প্রথম আলো: মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ চুক্তি করেছে যে তারা রোহিঙ্গা শব্দ ব্যবহার করবে না, সেটা ভুল ছিল?
মং জার্নি: অবশ্যই ভুল ছিল। কোনো একটি জাতিগোষ্ঠীর জাতিসত্তার পরিচয় কী হবে বা হবে না, সে বিষয়ে কোনো সরকারের কোনো চুক্তি করার কোনো এখতিয়ার নেই। কারণ, আন্তর্জাতিক কোনো আইন এটা সমর্থন করবে না। জাতিগত সংখ্যালঘুরাই ঠিক করবে কী নামে তাদের ডাকা হবে। আপনার নাম মিজান, আমি আপনাকে মাইকেল বলতে পারি না। আপনি বাঙালি, আমি পূর্ব পাকিস্তানি বলতে পারি না। কেউ এ নিয়ে কোনো চুক্তি করতে পারে না। স্কুলগামী শিশু-কিশোরদের মিলিটারি ধরে নিয়ে যায়, এরপর জিজ্ঞেস করে তোমার পরিচয় কী? তারা রোহিঙ্গা বলামাত্রই কিল-ঘুষি শুরু করে দেয়। তখন নাকমুখ থেকে রক্তঝরা অবস্থায় তারা বলে, আমি বাঙালি।
প্রথম আলো: বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের উদ্বাস্তু (Refugee) হিসেবে দেখতে অপারগ। আপনি কীভাবে দেখেন?
মং জার্নি: বাংলাদেশ সরকারের উচিত একটি নীতি ও কৌশলসংক্রান্ত ব্যাপকভিত্তিক আলোচনা। নাগরিক সমাজ, নীতিসংক্রান্ত উপদেষ্টা সবারই এতে অংশ নেওয়া উচিত।
প্রথম আলো: ১৯৭৮ সালে কী ঘটেছিল?
মং জার্নি: নে উইন প্রশাসন তত দিনে রোহিঙ্গা শব্দ মুছে দিয়েছে। পাঠ্যপুস্তকে, রেডিওতে মিডিয়ার কোথাও আর রোহিঙ্গা শব্দ শোনা যায়নি। তিনি একটি সন্ত্রাসী অভিযান চালালেন। ১৯৭৮ সালের জুলাইয়ে ব্যাংকক পোস্টে খবর বেরিয়েছিল, জিয়া-নে উইন সভার সাইডলাইনে জিয়া হুমকি দিয়েছিলেন রোহিঙ্গাদের অস্ত্র দেওয়ার। তখন অস্ত্র দিলে বার্মার ওই অংশ যুদ্ধ এলাকায় পরিণত হতো। পরে সেই সময়ে কুয়ালালামপুরে আশ্রয় নেওয়া শিক্ষিত ও ধনাঢ্য রোহিঙ্গাদের কেউ কেউ এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছিলেন।
প্রথম আলো: কুয়ালালামপুরের গণ-আদালতে সাক্ষ্য দিতে আসা নারীরা তাঁদের গোপন জবানবন্দিতে কী বলেছেন?
মং জার্নি: চোখের জলে ভেসে গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন ২০১২ সালে দেশত্যাগী এক নারী। বিচারকেরাও কেঁদেছেন। তখন ১৭ বছর বয়স ছিল। এখন ২৩। তিনি প্রথমে বাংলাদেশি একটি শরণার্থীশিবিরে ধর্ষণের শিকার হন। অন্য নারীদের সঙ্গে নৌকায় থাইল্যান্ড হয়ে মালয়েশিয়ায় পালান। টানা তিন মাস তিনি নৌকায় ধর্ষণের শিকার হন।
প্রথম আলো: আপনি কি মনে করেন, সেই হুমকির কারণে এবার আমরা অধিকতর পুরুষশূন্য উদ্বাস্তু স্রোত দেখছি?
মং জার্নি: আমি তা-ই মনে করি। সেই হুমকির কথা তারা নিশ্চয় মনে রেখেছিল। আজ যারা বাংলাদেশে এসেছে, তাদের ৩০ শতাংশ শিশু, যাদের অধিকাংশই এতিম। বাকিদের বড় অংশ নারী। এবারের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সার্ব্রিনিৎসার গণহত্যার মিল রয়েছে। সেখানেও একই ধরনের গণহত্যার পর মানুষ সব ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল। নারী ও শিশুদের থেকে পৃথক করে পুরুষদের ঠান্ডা মাথায় লাইন ধরে তারা পাইকারি হত্যা করেছে। নাৎসি জার্মানিও তাই প্রত্যক্ষ করেছে। নারী ও শিশুদের থেকে পুরুষদের আলাদা করা গণহত্যাজনিত আচরণের একটি ধ্রুপদি দৃষ্টান্ত।
প্রথম আলো: রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে আপনি ও ড. অ্যালিস কাউলি যৌথভাবে যাকে ‘স্লো বার্নিং জেনোসাইড’ চলছে বলে দাবি করেছেন, তার প্রক্রিয়া মিয়ানমারে কখন, কীভাবে শুরু হয়েছিল?
মং জার্নি: ১৯৬৬ সালে। আমি আমার লেখায় বলেছি, ১৯৭৮ সালেই ব্যাপকভিত্তিক নির্যাতন করে রোহিঙ্গাবিরোধী গণহত্যার প্রথম বছরটি শুরু হয়। কিন্তু এর ১২ বছর আগে গণহত্যার নীলনকশা তৈরি করা হয়। সেই বছরে সামরিক বাহিনী উত্তর আরাকানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে কৃত্রিমভাবে বৌদ্ধ জনসংখ্যা বাড়িয়ে রোহিঙ্গাদের সংখ্যালঘুতে পরিণত করার উদ্যোগ নেয়। কারাগারে থাকা দুর্বৃত্তদের সাজা অর্ধেক কমানোর মুলা ঝুলিয়ে আরাকানে বসতি গড়ার জন্য প্রলুব্ধ করা হয়। আর এটাই কালক্রমে গণহত্যার পটভূমি তৈরি করে। তাই আমি ১৯৬৬-কে জেনোসাইডের জেনেসিস বলি। ২০১২ সালে আমি প্রথম এক নিবন্ধে এটা লিখি। ব্রিটিশ শিক্ষিত রোহিঙ্গারা জেনোসাইড কথাটি ৭৮ সালেই ব্যবহার করা শুরু করেছিল।
বাষট্টিতে নে উইন ক্ষমতায় এলেন। সেটা বহু সংস্কৃতিগত বর্মি সমাজের যবনিকা টেনেছে। ১৯৪৮ সালে প্রথম নাগরিকত্ব আইনে কোনো জাতিগত সংখ্যালঘু স্বীকৃত হয়নি। কিন্তু পরে কয়েক মাসের মধ্যে আইন সংশোধন করে ১৯৪২ সালে জাপানি আগ্রাসনের আগে যারা বার্মায় ছিল, তাদের সবাইকে আপনা-আপনি নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। আরাকানি জাতিগত সংখ্যালঘু, যার মধ্যে রোহিঙ্গা, মগ, বর্মিজ, শান, কাইয়া, কাচিনসহ আটটি গোষ্ঠী ছিল। তখন রোহিঙ্গারা আরাকানের নেটিভ হিসেবে গণ্য হয়। তাদের পরিচয় ছিল আরাকানি। এখনো তাঁদের নাগরিক পরিচয় সেটাই থাকা উচিত।
প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।
মং জার্নি: ধন্যবাদ।

Myanmar journalists 'harassed' for reporting on Rohingya crisis



October 17, 2017

Sitting in a Yangon cafe, Min Min scrolls through old photos of a bombing attack on his house in Myanmar's northern Rakhine state.

The 28-year-old journalist told Al Jazeera that he was targeted last year due to his reporting of the Rohingya crisis.

It is a risky business, he said.

"If I keep trying to investigate the truth about issues in Rakhine state, my life could be in danger," Min, the editor of the Rakhine Investigative Agency, said.

The young journalist revealed that his monthly political magazine had to reduce its coverage of the mainly-Muslim minority group during the recent incidents in the western town of Maungdaw.

"We had to be silent, we almost don't cover it because we have to be very careful," Min said.

Since August 25, the Myanmar army has waged a brutal military campaign in Rakhine against the Rohingya, who have been denied citizenship and basic rights by the Myanmar government.

More than 500,000 Rohingya have fled the country, most arriving in Bangladesh by foot or by boat, with aid agencies struggling to cope with the influx.

The UN has denounced the situation as a "textbook example of ethnic cleansing".

'You feel cramped'

Myanmar's leader Aung San Suu Kyi and her government have criticised international media coverage of the crisis and the UN workers documenting the Rohingya plight, dismissing their reports as fake news.

"Dismissal and denial of well-documented accusations, allegations and evidence is part of genocide," Maung Zarni, a Burmese human rights activists, told Al Jazeera's The Listening Post.

"Dismissing the reports of hundreds of women who have been wronged and violated and Suu Kyi dismissing them as fake news, fake rape. That was what you read on Aung San Suu Kyi's official Facebook page: fake rape," he added. 

Al Jazeera has spoken to half a dozen journalists from Myanmar who say they are facing some form of harassment, even death threats, for not toeing the government line on the Rohingya issue.

Local journalists say the censorship and harassment are affecting their jobs. 

"You feel more cramped, you feel trapped, when you're writing the news before it's published," said one Myanmar journalist.

He does not want to reveal his identity because he fears further public backlash.

"You have this fear what would be the public response, will they be swearing at me again online. This is directly affecting the journalists' work," the reporter added. 

'Dreadful PR machine'

Al Jazeera's Yaara Bou Melhem, reporting from Yangon, said the pro-government narrative is evident in the daily newspaper headlines.

One was about authorities saying they will continue to fight what they call "Islamic terrorism" in Rakhine state, she reported.

The government has classified the Arakan Rohingya Salvation Army (ARSA), which launched attacks on hundreds of police posts and an army base in August, a "terrorist group". 

Government social media accounts also say that Rohingya are burning their homes. 

A UN report recently cited the burning of Rohingya homes by Myanmar's military as part of campaign to expel and prevent the return of Rohingya to Myanmar, an allegation the government has rejected as false. 

"These kind of attacks are not happening," Wyn Myat Aye, minister for social welfare and resettlement, said.

"These accusations are spreading throughout the world even though there has been no attack after September 5 and this is due to the media's role. This is the very bad performance of the media. I can say that the media is bullying us."

Meanwhile, analysts have criticised the government's role in pushing its agenda.

"The government PR machine on this entire issue has been absolutely dreadful," Davis Mathieson, an independent Myanmar analyst, told Al Jazeera. 

"It's been something almost Orwellian, dystopian and incredibly cheap and nasty." 

The Rakhine Investigative Agency's Min Min worries not just for his country's future, but for his magazine.

He said two of his six-member staff quit this month because he would not let them use the words "Bengali terrorist" in their reports.

He remains afraid of what else he could lose if he continues to search for the truth in Myanmar.


The UN has been informed, just as "London had been informed"​ back in the Days of the Nazis



More Rohingyas outside, than inside Myanmar. 

Drone images show thousands of Rohingya fleeing

New images show thousands more Rohingya Muslims fleeing large-scale violence in Myanmar. Drone footage issued by the UNHCR show people are traveling in very difficult conditions.


---

Nearly 40-years of patterns of genocidal destruction of Rohingyas. 


---
The Complicity of the (mythical) International Community, starting with the United Nations 
We do live in a fundamentally sick and non-functional global governance structure. 

One would have thought that after the Holocaust, Indonesia, West Pakistan, Sudan, Rwanda, Bosnia, etc. we live in a qualitatively different world. 

Hell, no! 

Never again! is made a poor-taste joke, an insult to the injury of the Rohingyas.

We are witnessing the 21st century's FIRST full-blown genocide. We are witnessing this on our mobile phones. Images and cries of genocidal victims brought to you by our service providers. You can watch genocide on a train ride, during long haul flights - if you have WiFi on board; or bus ride, or simply from our garden, or during your dog walks.

(Forget this formulaic phrase "judicial review". But the time the court is set up most Rohingyas would be either dead and destroyed. And lawyers are the last group to be trusted with Truth and Justice. It is not in their intellectual or ideological orientation: neither truth nor justice is their ultimate goal. That's why renowned Law Professor Philippe Sand at the University College of London (UCL), the author of "East West Street". firmly wrote something akin to "lawyers are least qualified to have the last word on crimes against humanity and genocides". )

Kofi Annan, the man who only last year spitted out the usual excuse - 'judicial review' - before the G word should be used as if those of us who have studied this issue for years, threw it around frivolously, and as a matter of a campaign slogan. Yes, that Dr Annan, who saved his bureaucratic career by shelving the now infamous "Genocide telegram" from Rwanda: like a good servant, Annan knew the Masters' mood. Bill Clinton and Madeline Albright were in no mood for stopping the imminent genocide. Never mind Slick Willy, but Madame Albright who escaped Nazi-occupied Hungary as a "Catholic" girl and raised as such in the new country of USA didn't think genocides were bad for everyone - not just for those who lived under Nazi occupation. 

Knowledge IS not the issue. Perhaps after the Pentagon and USG - the United Nations is a massive clearing house of information. UN may be underfunded. But there is a constant flow of information.

The problem is what flows upward or horizontally (among We the World's People) is determined by the needs and interests of Power and Bureaucracy - not human well-being. 

The UNITED NATIONS have indeed ​known the nature of the persecution since July 1978 since the UNHCR from Geneva first got involved. 

In 1993, UN created the mandate for Special Rapporteur on human rights situation in Myanmar on the basis of its grave concerns, among other things, for Myanmar army's systematic rights violation against Rohingyas. 

As a matter of fact, UNHCR had been a "Bystander" in the genocide, until its local official in Bangladesh blew the "ethnic cleansing" whistle a year go.

As I have always insisted POWER KNOWS TRUTH. When it isn't not in the interests of the powerful and of the organisations, it pretends NOT to know. 

UNHCR had pussyfooted around this issue of Rohingyas. starting with compliance to Myanmar authorities' insistence that the word Rohingyas be not used. 

In the midst of the "Rohingya boat people's crisis" those UN and gov officials from various countries who were gathered there adopted this typical Genocide Appeasement policy.

Visiting Auschwitz 6 months ago, I picked up this famous (or infamous) book entitled 'London has been informed" - published by the Auschwitz National Polish Museum: about how the Polish Resistance did all the research about what was going in concentration camps in Poland. London was informed, and it didn't give a damn - because the British Gov was more concerned about securing Hitler's cooperation to flush out the Soviet moles in UK whom the British military intelligence was more paranoid about (they would overthrow the feudal class system of Britain, It was feared) than hundreds of thousands of Jewish prisoners from around Europe being transported in cattle cars to Auschwitz.

Alas, never again! What a poor taste joke! 

​Myanmar Genocide is the first ever Facebooked genocide of this century. The way things are going Rohingyas will NOT be the last victim of the systematic crime of Barbarity. Not for this century. 

Nor for the next one (hopefully, there will be no next year as We the humans, especially Humans in charge of powerful institutions, never learn from history.​

​​Again all this rant is immaterial for the Rohingyas, hundreds of thousands of whom are being starved out in my country or languishing in Bangladesh as aid is not really coming in. 

God, what kind of God are you that created this world where genocides are so routine and so recurring a pattern. What kind of Karma? 

What have the Rohingyas done wrong other than being who they are and where they happen to be? 

I guess that is a big enough crime in the Burmese eyes! 

How sad that I am a human, instead of a dog, or a fox! 

--

UN report on Rohingya hunger is shelved at Myanmar's request

Exclusive: Document warned of spiralling food crisis among Rohingya population


--

No more excuses — the Rohingya need our help

The US and China must use their influence to stop the killing and ensure the safe return of Myanmar refugees

By Eric P. Schwartz (President of Refugees International and former US Assistant Secretary of State for Asia and Pacfic Affairs)

Rohingya: The silence of Aung San Suu Kyi and the betrayal of human rights



By Ali MC
October 17, 2017

Recently, protesters converged on the State Library of Victoria to make their voice heard in response to the escalating Rohingya crisis. For the mostly Muslim cohort, it was a voice of frustration, anger and desperate hope; understandably so, as what hope is being extended to their Rohingyan compatriots?

The Rohingya are famously described in humanitarian parlance as the ‘world’s most persecuted people’; current events would prove nothing less. A stateless people without citizenship rights in any nation, they are now besieged by the Myanmar Army intent on driving them out of the country.

The stories emerging are shocking: beheadings, the rape of young girls, villages burnt to the ground, and most recently, the use of land mines against civilians.

Rohingya vigil. Photo: Ali MC

Meanwhile, thousands of words have been devoted to decrying the silence of Myanmar’s default democratic leader Aung San Suu Kyi. Calls have even been made for her to hand back her Nobel Peace Prize.

Yet, this belies a deeper misunderstanding of the current crisis, and Australia’s involvement in it.

Recently, I held an exhibition of medium format photographs that I shot while visiting Internally Displaced Persons (IDP) and refugee camps, in both Myanmar and Bangladesh. In the exhibition text, I described Myanmar’s “militant Buddhists” – the phrase confused many people.

The term ‘Bengali’ reflects the general opinion in Myanmar that the Rohingya are simply Bangladeshi illegal migrants. This, despite the Rohingya having been settled in western Myanmar for around 400 years.

The West does not normally think of Buddhists as “militant” – yet there is currently a politically influential and powerfully vocal anti-Muslim Buddhist sect called the 969 movement operating in Myanmar.

As was found in the recent Permanent Peoples’ Tribunal, anti-Muslim sentiment runs deep in the country, and attacks have been directed towards other Muslim communities – most notably in the 2013 massacre in Meiktila.

The conflict between Buddhist and Muslim has been simmering for decades, with notable escalations in 1978 and the early 1990s causing Rohingya to flee to Bangladesh and elsewhere.

In 2012, an attack on Buddhists in Rakhine State led to the Muslim quarter in the Rakhine capital Sittwe to be burned down, and around 140,000 Rohingya interned in IDP camps and deprived of freedom of movement, education and medical aid.

In Myanmar, the word ‘Rohingya’ is not even spoken. ‘You mean the Bengali camps,’ the Army officer issuing my permission to visit the IDP camps informed me.

The term ‘Bengali’ reflects the general opinion in Myanmar that the Rohingya are simply Bangladeshi illegal migrants. This, despite the Rohingya having been settled in western Myanmar for around 400 years.

Whether Aung San Suu Kyi is herself a militant Buddhist remains to be seen. Her silence has certainly angered the international community, especially those humanitarian advocates who invested so much in her cause while she was the victim of human rights abuses.

The silence of Aung San Suu Kyi can be heard as a callous indifference to the Rohingya crisis. It can be heard as a betrayal of human rights.

Protesters’ signs at the Rohingya vigil. Photo: Ali MC

Yet, it can also be heard as another tragic misunderstanding of localised context.

As has been the case in Iraq, Syria, Afghanistan, and numerous other interventionist excursions, local politics continues to dominate the West’s best intentions, including the brutal crackdown on Rohingya as Myanmar transitions into some kind of democracy.

Myanmar – formally known as Burma – is comprised of a number of religiously diverse ethnic groups. The country itself was only formalised after the collapse of British India in 1948, after which such groups suddenly found themselves part of this newly formed, independent state.

Since that time, ethnic wars have played out between the Kachin, Karen, and other peoples, in some of the longest-running conflicts in recent times. Further complicating matters in Rakhine State is the conflict between the separatist Arakan Army and the Myanmar Government, which has itself resulted in an increase in Internally Displaced Persons.

The term ‘Burma’ came from the dominant ethnic group ‘Bamar’, whom the British had originally granted power in the form of indirect colonial rule. This Buddhist majority held sway after independence by way of the military junta, and continues in the current governmental arrangement; it is no secret that Aung San Suu Kyi is also a Buddhist Bamar.

The silence of our own ambassadors almost matches that of Aung San Suu Kyi, with foreign Minister Julie Bishop calling for ‘both side’ to show ‘restraint’; soft words indeed in the face of ethnic cleansing, and a disingenuous statement that assumes there is some kind of power balance in the conflict.

Not only are Aung San Suu Kyi’s politics informed by her ethnic and religious background, but also by the newly formed Myanmar power-sharing constitution. The slow transition to democracy has meant that Aung San Suu Kyi’s National League for Democracy only has control over half of the government portfolio. The other half – which includes the Army – is still run by the military.

Neither of this, however, excuses Aung San Suu Kyi’s silence; but it goes some ways to explain a localised context, which the West is only beginning to understand. In response, a petition has been generated which calls for an arms embargo against Myanmar, with General Min Aung Hlaing being cited as ordering the attacks against Rohingya.

And what about the West’s complicity?

Australia currently gives Myanmar between $60–70 million in aid, in part to promote ‘peace and stability’ in Rakhine State, where the Rohingya crisis is currently playing out. In 2014, the Australian Army began training with the Tatmadaw, the Myanmar Army. The silence of our own ambassadors almost matches that of Aung San Suu Kyi, with foreign Minister Julie Bishop calling for ‘both side’ to show ‘restraint’; soft words indeed in the face of ethnic cleansing, and a disingenuous statement that assumes there is some kind of power balance in the conflict.

It comes as no surprise that there are gas deposits in and around Rakhine State, which also happens to be the second poorest region in Myanmar.

As Myanmar has ‘opened up’ in its transition to democracy, so have the business opportunities, for example, a new oil pipeline that runs directly from Rakhine State to Yunnan province in China that has recently opened.

The Rohingya crisis presents another, even more important opportunity for Australia, and that is to demonstrate to the Muslim community – both in Australia, and overseas – that we are sympathetic to all refugees (not just Christian ones), and we are serious about resolving religious tensions in the region in a variety of capacities.

Signs pleading the public to take notice of the human rights violations suffered by the Rohingya. Photo: Ali MC

The Australian government recently committed to financing and contributing arms to the Philippines’ despotic president – who is currently waging a ‘drug war’ against his own citizens ­– in order to quell Islamic threats in the south. The flip side of a questionable militaristic policy would be to take in Rohingya refugees, to demonstrate Australia is also a friend to Muslim people.

At Saturday’s protest, Greens leader Richard Di Natale called on the Australian government to commit to a refugee intake quota similar to that during the height of the Syrian civil war. This is not an unrealistic, or unreasonable, demand.

Perhaps the sticking point for Australia’s politicians, however, is the inability to be able to pick and choose between Christian and Muslim refugees.

If Australia does not respond to the latest Rohingya crisis by opening our doors, not only is it simply demonstrating that we are no friend to Muslim people, but that we are also content to fund, and arm, militarised nations in our region.

Sadly, the lives of many Rohingya people are also currently caught up in our brutal offshore detention centres. It is a tragic merry-go-round that Australia does not seem to want to take responsibility for at either end, yet will no doubt be content to benefit from the opportunistic economic rewards.

While the world watches and waits for Aung San Suu Kyi’s silence to break, the betrayal of human rights continues in our own backyard.

Rohingya crisis ruled as genocide by Permanent Peoples’ Tribunal



By Ali MC
October 17, 2017

In September, the International Permanent Peoples’ Tribunal ruled the current Rohingya crisis as unequivocally genocide, denouncing the United Nation’s use of the term ethnic cleansing as a “euphemism” with “no basis in international law.”

After a week-long hearing at the University of Malaya, Judge Daniel Feierstein stated that the Myanmar Government was guilty of “war crimes, crimes against humanity and genocide”.

War crimes listed included arbitrary arrest and torture; enforced disappearances; rape; killing; confiscation of property; and internal displacement.

The Tribunal also affirmed that the election of Aung San Suu Kyi’s National League for Democracy had only brought about an “acceleration” of human rights abuses, and in was an attempt to turn Myanmar into a “supreme Buddhist entity.”

Throughout the week, expert witnesses and victims of human rights abuses testified to the Peoples’ Tribunal, which began a grassroots initiative in 1979 to denounce the crimes of Latin American dictators.

The Tribunal heard that ongoing human rights abuses have been committed not only against the Rohingya, but also other ethnic and religious minorities, including the Kachin people and other Muslim groups.

Testimonies included harrowing eye-witness accounts of mass rape of Rohingya women and the systemic slaughter of Rohingya men and boys.

This included the massacre at Tula Toli, a Rohingya village near the border of Myanmar and Bangladesh.

Mr Lazum Jimmy Phang provided evidence of the ongoing war crimes perpetrated against by Kachin people in the north of Myanmar.

Razia Sultana, a Rohingya lawyer based in Chittagong, showed video interviews conducted with women from Tula Toli. In the video, one Rohingya woman tearfully described the massacre, explaining that the villagers were told by authorities not to leave Tula Toli and that they would be safe.

Instead, she describes how the Myanmar Army descended by helicopter and surrounded the village. They then proceeded to systematically rape the women, killing and burning women, children and men.

“Nothing was left of the women … mutilated bodies were chopped up and set on fire … oh, there was a massacre in Tula Toli,” the woman exclaims.

Razia Sultana, a lawyer from Chittagong, gave harrowing first-hand witness accounts of Rohingya women who had experienced sexual violence.

Tactics, such as the promise of safety, were also used by Hutu militia in the Rwandan genocide of 1994, in order to herd Tutsi people into kill zones, such as churches.

In fact, parallels between the Rwandan genocide and the current crisis were noted during the Tribunal.

Founder and chairmen of Genocide Watch, Dr Gregory Stanton, explained a 10-stage process of genocide, which includes classification, such as the use of ID cards, dehumanisation, preparation and planning, and persecution.

A delegation of witnesses who provided testimony to attacks committed against Myanmar Muslims in other parts of the country, including the 2013 massacre in Meitkila.

This process, he said, amounted to genocide, which, under the Genocide Convention, is defined as “the intent to destroy, in whole or in part, a national, ethnical, racial or religious group”.

Evidence of intent included a 1988 policy of the Myanmar Government to deny Rohingya citizenship, and that “any property must be confiscated and redistributed amongst the Buddhist population”.

Dr Stanton explained that the term ethnic cleansing was actually coined by former Serbian President Slobodan Milosevic, who faced charges of war crimes in 1999.

Unlike the Genocide Convention, there are no international legal instruments that address ethnic cleansing; as such, use of the term in the international sphere was said to be redundant.

Dr Gregory Stanton, founding president of Genocide Watch, gave a detailed account of the definition of genocide, and the difference between ethnic cleansing.

The Tribunal sessions were heavily guarded by Malaysian police, most notably due to the presence of outspoken Burmese activist Dr Maung Zarni.

Dr Zarni’s great Uncle was a collegiate of Aung San Suu Kyi’s father; he is related to many Burmese currently in positions of power.

Yet, due to his outspoken opposition to the regime, he has been labelled a traitor and an enemy of the state. Dr Zarni reported receiving death threats leading up to the proceedings.

Dr Maung Zarni speaks with the media at the Tribunal.

However, in his testimony he stated, “I am not the enemy of the state; the state is the enemy of the people.”

The Tribunal concurred, describing how since the military coup in 1962, the government had been “at war with 40 per cent of its population.”

Dr Maung Zarni: “I am not the enemy of the state; the state is the enemy of the people.”

In line with the prosecution process, the Myanmar Government was invited to make a defence; however, it declined.

Instead, a video of Aung San Suu Kyi’s recent speech was played to the court.

In her speech, Aung San Suu Kyi said “We need to find out why this exodus [of Rohingya people] is happening.”

Had the Myanmar Government attended the proceedings, perhaps they would not be asking such an obvious question.

While the judgement passed down from the Permanent Peoples’ Tribunal is not binding, it is the only official international entity currently defining the current crisis for what it is genocide.

Young Muslim man tells how his arm was injured in the attack in Meitkila in 2013.

The Tribunal also handed down seventeen recommendations to address the ongoing crisis, while Bangladesh government representatives announced they would be registering all new Rohingya refugees.

In his closing statements, the chair of the Malaysian Organizing Committee, Dr Chandra Muzaffar, repeated that oft-cited phrase “never again.”

Yet, without immediate intervention and sanctions from influential nations such as Australia – who’s Defence Force has been training with the Myanmar Army – genocide will continue to occur, yet again. 

Ali MC is a photographer, writer and musician and Human Rights Law Masters student. As well as traveling extensively overseas, he has also lived in remote Aboriginal communities teaching music and learning language. His first full-length book The Eyeball End was published in 2015, and in 2016 he produced a fourth album Urban Cleansing through his music collective New Dub City.

Waves of Genocidal Killings of Rohingyas: Types of Perpetrators, Pretexts and Volumes of Exodus

Today Rohingyas flee their homes in Myanmar before the next expected wave of genocidal killings. 

Here is a glance at Myanmar's Successive Waves of Genocidal Killings and the Resultant Exodus:

1) 1978 

The post-Social regime of the State Law and Order Restoration Council under the nominal head of Senior General Saw Maung (but still controlled by ex-General Ne Win)

Pretext - "illegal immigration check" - 

Perpetrator - the Tatmadaw or the military with local Rakhine collaboration 

The then Union of Socialist Republic of Burma under General Ne Win launched the first genocidal campaign of terror in Feb 1978. 

the Exodus Volume: 

276,000 - by ex-intelligence chief ex-Gen. Khin Nyunt's own count

2) 1991-92

Pretext - Rohingya uprisings of 1988 and their subsequent pro-Aung San Suu Kyi support (along with the rest of the country)

Perpetrator - the Tatmadaw or the military with local Rakhine collaboration 

THE SLOW BURNING GENOCIDE BEGAN: with policies designed to destroy Rohingyas as a group physically,, biologically and socially. 

ELEMENTS OF GENOCIDAL CONDITIONS 

A) Doctor-Patient Ratio in two major Rohingya towns: 

1: 150,000 (national average is 1: 2,000 roughly (source: Lancet Medical Journal)

A) Infant & child (up to 5) mortality rate, 2 times higher than national average
C) Maternal death 2-3 times higher than national average 
D) severe restrictions on Rohingya physical movements, disabling Rohingyas' ability to earn a living, access food systems (such as rivers and creeks, as well as paddy fields or markets)
E) severe restrictions on birth rate via marriage restrictions (2 children per couple, while there is no such policy for any other racial, ethnic or religious group, or region in Burma 
F) pervasive forced labour 
G) summary executions 
H) gang-rape and rape 
I) disappearances and arbitrary arrests 

the Volume of exodus: estimated 260,000 

3) June and Oct 2012 

The Gov of the Union of the Republic of Myanmar under ex-General Thein Sein (Nobel Peace Prize-short-listed according to Norwegian Peace Research Institute & the International Crisis Group's "Pursuit of Peace" Award recipient)

Pretexts - "Communal violence" & "Yugoslavia-like transition"

Perpetrator - organised local Rakhine armed gangs with backing from the Tatmadaw or Burmese military 

"COMMUNAL VIOLENCE" - with 86% of death and destruction borne by Rohingya communities, including burning down the entire Rohingya neighbourhoods

A total of estimated 250,000

A) Exodus - 100,000 (boat people's crisis)

B) Internal Displacement - 125,000 IDPs (still NOT allowed to return home while their land have been reclaimed by the State).

4) Oct 2016 

Aung-San-Suu-Kyi-Military Hybrid Regime 

Pretext - "Bengali extremist militancy" (which overran 3 border guard posts and killed 9 police men).

Perpetrators - the military (air force, navy and army) with the collaboration of organized Rakhine armed gangs (armed by the gov military)

The volume of exodus - 89,000 - 100,000

5) August 2017 - present 

Aung-San-Suu-Kyi-Military Hybrid regime 

Pretext - Arakan Rohingya Salvation Army attacked "30" gov. security posts, with home-made weapons, spears, sticks and machetes 

Perpetrators - the military (air force, navy and army) with the collaboration of organized Rakhine armed gangs (armed by the gov military)

The volume of exodus 535,000 (in 6 weeks) - and still counting







SINGAPORE-affiliated former Myanmar Cabinet member spreading FAKE NEWS!



By Dr Maung Zarni
October 16, 2017

Visiting Fellow at Singapore's Institute of South East Asian Studies & Ex-Cabinet Member from Thein Sein Gov, spread fakes news about Rohingyas, possibly coordinating with Irrawaddy Burmese Editors. 

Ye Htut, ex-Colonel and a son of the late Myanmar Police Chief, is caught spreading Fake News, which typically frames Rohingyas as "terrorist" issue. 

Ye Htut's Burmese language caption reads: 

"In Bangladesh the (Muslim) fundamentalists and extremists held demonstrations demanding that Rohingyas be armed. 

Now the (Bangladesh) border guards unit at a refugee camp lost their weapons to the looters."

This is based on Irrawaddy Burmese Language News (see the two additional JPEG along with the first item by Ye Htut). 

Irrawaddy has emerged as a major platform for spreading genocidal racism and hatred against the Rohingyas. 

Its editors - Aung Zaw, Kyaw Zwa Moe, and Ye Ni - have been mis-charaterising, Rohingyas as an Islamic threat to Burma's "national security" based on dubious intelligence sources.

Irrawaddy's stance is influenced by both their anti-Rohingya racism and Bertil Linter's anti-Rohingya racist writings in Asia Times, blowing the security concerns out of proportions.

Just yesterday a Thai-American academic named Thitanan Pongsudhirak from Chula University in Bangkok peddles the same racist lie in Singapore's mouthpiece The Straits Times. 

See my scathing rebuttal to this academic whore's despicable racism, falsely accusing the wretched of my country as "terror" threat. 


Framing of Rohingyas as "Islamic terrorism" has been proven non-credible by Bangladeshi senior officials including the Foreign Secretary, former US Assistant Secretary of State for Asia and Pacific Affairs Eric Schwartz and most recently in Facetime Live by Human Rights Watch Myanmar researcher. 

Here is Eric Schwartz in his own words:

"... the idea that insurgency is the route of the problem in Rakhine State is nonsense.

This is not insurgency. There are parts of Burma where there are insurgent issues. This is not an insurgency-driven conflict. This is a pretext that the military has given us, by all evidence."

the idea that insurgency is the route of the problem in Rakhine State is nonsense.


--

Myanmar: The Invention of Rohingya Extremists

Joseph Allchin, The New York Review of Books, 2 October 2017


--

Bangladesh foreign secretary: No sign of radicalisation among the Rohingya, 8 October 2017 





Mein Kampf for Myanmar: Go Myanmar Nazis, Go!



Ethnicity and Race are INVENTIONS, MADE-UP, CONSTRUCTED with an identifiable political purpose.

But the country is moving in the different direction on this, that is, Hitler's blood-based, "real", notions of RACE.

In the most recent Irrawaddy "Debate" hosted by Ye Ni who advocates openly "surgical operations" against "Bengali", one Burmese anthropology professor from Mandalay raised the issue that there are no people called Rohingyas in Chittagong.

(In fact, it was Hitler who used the term "surgical operations" in his Mein Kampf or My Story.

There are no Chins in India North East (across from the Chin Hills of Burma. They are called Zo. That's identities shifting across geographic space.

Time/context wise, here is another example of fluidity of identity.

In the colonial period, the flag raised against the ruling British colonizers is: Burmese.

Coastal region Rakhine commercial, Lower Burma cultural elite Buddhists, Mon commercial, and Dry Zone-rooted cultural elite Buddhists forged a political identity called "Burmese", using the common oppression as a common bridge and Buddhism as an additional pillar of their newly forged umbrella identity.

General Council of Buddhist Association (GCBA) U Soe Thein was a Mon, but adopted the Burmese identity, as head of the majoritarian cultural - and later political movement from which the Peasant Uprisings sprang up under the local medicine man - Saya San. PM U Nu was a lower-Bama Mon. The late UN Sec. General U Thant, was a Lower Burma Kular-Bama mix, who adopted Bama Buddhist identity.

After independence, Rakhine and Mon shed that umbrella identity, and hoisted their primary identities as Rakhine and Mons and sought autonomy and equality in the post-independence period.

The most famous Rakhine leader, the Cambridge-trained ICS U Kyaw Min, my friend Prof. Ko Kyaw Tha Paw Oo's grandfather, was initially Burmese nationalist in the service of the British Colonial rule. He led the above-ground parliamentary push for autonomous Rakhine Statehood.

As a widespread phenomenon, Burmese of Chinese and Indian or Pakistani Muslim ancestry frontload their primary identities as "Muslim" or "Chinese" when the new social context is more accepting, liberal and tolerant, for instance, the United States or UK.

So my friends, Khin Khin of Chinese background in Burma would become Phillipa Tan, Win Ko would become Akbar Hamid, or Kyaw Zwa, Mohammad.

Even within a single political unit as Frontier Areas of Burma, Jing Hpaw (Kachin) would morph into Shan, a more powerful ethnic group.

After the waning of their dominance in the pre-colonial Burmese feudal entities, the Shan feudal elites, geographically closer to the Burmese Dry Zone centers of power, they would emulate Burmese power symbols, rituals, feudal customs and manners while those Shan feudal elites closer to Northern Siam or Thai kingdoms would be more culturally and politically tied to the Thai or Dai or Siamese.

Given the way the NLD and the military are leading the country, ideologically, it is conceivable that the Ministry of Education will use Mein Kampf as a prescribed text for Ethnicity and Race - 101. Go Myanmar Nazi, Go!